ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত করার প্রস্তাব বাজেটে, ভ্যাটও প্রত্যাহারের ইঙ্গিত।
ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ের ওপর কর সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের প্রস্তাব আসতে যাচ্ছে আসন্ন জাতীয় বাজেটে। একই সঙ্গে এই খাতে বিদ্যমান ভ্যাট ব্যবস্থাও তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে তরুণদের ডিজিটাল আয়ের সুযোগ বাড়াতে বেশ কিছু করনীতি সংস্কারের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, শুধু আইটি-নির্ভর ফ্রিল্যান্সিং নয়, বরং সব ধরনের অনলাইন ফ্রিল্যান্স আয়ের ওপর কর অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি কনটেন্ট ক্রিয়েশনের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রেও করমুক্ত সুবিধা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে এ খাতে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বাজেটে এই ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
নীতিনির্ধারকদের মতে, এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে তরুণদের বৈধ চ্যানেলে আয় দেশে আনার প্রবণতা বাড়বে এবং একই সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতির বিস্তারও ত্বরান্বিত হবে।
এ ছাড়া স্টার্টআপ খাতকে উৎসাহিত করতে দীর্ঘমেয়াদি করছাড়ের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত স্থানীয় ভ্যাট ছাড়ের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য, একটি প্রতিযোগিতামূলক ও সৃজনশীল ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা অর্থনীতির মূলধারায় আরও শক্তভাবে যুক্ত হতে পারবেন।

মতামত দিন