জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ বিভাগে হচ্ছে ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল, গ্রামে নিয়োগ পাবে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

দেশজুড়ে শিশুস্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে একাধিক নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সরকার। বিভাগীয় পর্যায়ে নতুন শিশু হাসপাতাল নির্মাণ থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণ এবং গ্রামাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ—সব মিলিয়ে স্বাস্থ্য অবকাঠামো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও কুমিল্লায় ২০০ শয্যার পৃথক শিশু হাসপাতাল স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এসব হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, সরকার শুধু বিভাগীয় শহরেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি জেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে, যাতে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য মানুষকে দূর-দূরান্তে ছুটতে না হয়।

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদের বড় অংশ নারী হবেন এবং তারা স্থানীয় পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন।

এদিকে ক্যান্সার চিকিৎসা অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি জলাতঙ্ক প্রতিরোধে সারাদেশে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিনের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলেও আশ্বস্ত করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত রাখা হয়েছে। ফলে মৌসুমি সময়ে কুকুরের কামড়ের ঘটনা বাড়লেও প্রয়োজনীয় টিকার সংকট হবে না বলে সরকার আশাবাদী।

মতামত দিন