রোববার এক বিবৃতিতে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে আকাশসীমায় কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখাই তাদের লক্ষ্য।
সাধারণভাবে একটি স্কোয়াড্রনে ১২ থেকে ২৪টি যুদ্ধবিমান থাকে। সেই হিসেবে এই চুক্তির আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আধুনিক যুদ্ধবিমান যুক্ত হবে ইসরায়েলের বহরে।
তিনি বলেন, ‘শিল্ড অব ইসরায়েল’ নামে প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এফ-৩৫ ও এফ-১৫আইএ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াবে।
ইসরায়েল কাৎজের ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে যেকোনো সময় ও যেকোনো স্থানে সামরিক অভিযান পরিচালনার মতো সক্ষমতা গড়ে তুলতে চায় ইসরায়েল, আর সে জন্য প্রয়োজন উন্নত প্রযুক্তি ও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম।
এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কয়েকটি মিত্র দেশের যৌথ উন্নয়ন প্রকল্প। প্রযুক্তিগত দিক থেকে এটি বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও সক্ষম যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচিত হয়।
মতামত দিন