আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ইরানকে ঘিরে চলমান যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মোট ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের এই অস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে কংগ্রেসের পূর্বানুমোদন ছাড়াই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

রোববার (৩ মে) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অস্ত্র বিক্রি ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য নির্ধারিত।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে চলমান সংঘাতে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে। এতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া তাদের অস্ত্র মজুত কমে যায় এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ বৃদ্ধি পায়।

এই চুক্তির আওতায় ইসরায়েল প্রায় ৯৯২ মিলিয়ন ডলারের উন্নত প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম (এপিকেডব্লিউএস) ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম পাবে। কুয়েতের জন্য রয়েছে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম।

কাতারকে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের এপিকেডব্লিউএস কেনা এবং প্যাট্রিয়ট আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনরায় পূরণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের এপিকেডব্লিউএস কেনার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার জরুরি প্রয়োজনের কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে আর্মস এক্সপোর্ট কন্ট্রোল অ্যাক্ট অনুযায়ী কংগ্রেসীয় পর্যালোচনার প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।

প্যাট্রিয়ট সিস্টেম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যবহৃত হয়, আর এপিকেডব্লিউএস অনিয়ন্ত্রিত রকেটকে নির্ভুল অস্ত্রে রূপান্তর করতে সক্ষম। কুয়েতের ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম রাডারভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ ক্ষমতা বাড়াবে।

এর আগে মার্চ মাসেও যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও জর্ডানের কাছে ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারের পৃথক অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল, যার মধ্যে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মতামত দিন