হৃদয়-শামীম ঝড়ে কিউইদের হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ।
১৮২ রানের বড় লক্ষ্য—শুরুর চাপ—তবুও থামেনি বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয় আর শামীম হোসেনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২ ওভার আগেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল টাইগাররা।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়াম-এ টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ওপেনিং জুটিতে আসে মাত্র ১১ রান, দ্রুতই বিদায় নেন টিম রবিনসন। এরপর কেনে ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভারের জুটিতে ম্যাচে ফেরে কিউইরা।
পাওয়ারপ্লেতেই রান তোলে ৬১। পরে দুজনই অর্ধশতক করেন—ক্লেভার ২৮ বলে ৫১, ক্লার্ক ৩৭ বলে ৫১। মাঝের ওভারে কিছুটা চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড, নিয়মিত উইকেট হারায়। শেষ দিকে জশ ক্লার্কসনের ঝড় থাকলেও নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানেই থামে তাদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হোসেন নেন ২ উইকেট, আর তানজিম সাকিব, শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদী হাসান পান একটি করে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। তবে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। তখনই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন পারভেজ ইমন ও তাওহীদ হৃদয়।
ইমন ঝড় তুলে ১৪ বলে ২৮ রান করে বিদায় নিলেও গতি ধরে রাখেন হৃদয়। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী—আর সেখান থেকেই ম্যাচ পুরো বদলে যায়।
শেষ ৫ ওভারে দরকার ছিল ৪৮ রান—কিন্তু সেটি হয়ে যায় সহজ। শামীমের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রান উঠে দ্রুত, এক ওভারেই আসে ২৫ রান। বাকি সমীকরণ তখন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।
হৃদয় খেলেন ২৭ বলে ৫১ রানের ইনিংস, আর শামীম অপরাজিত থাকেন ১৩ বলে ৩১ রানে। ১২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
এই জয়ে নতুন ইতিহাসও গড়েছে দলটি। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এত বড় রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়ল।
মতামত দিন