সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক কাজী ইকবাল হোসেন এ আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে এজাহারনামীয় আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে আটক করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তার পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই চলছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনপত্রে বলা হয়। ভবিষ্যতে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
এর আগে রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।’
পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে মামলা করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
মতামত দিন