ইরান ইস্যুতে ফের উত্তেজনা, নতুন হামলার ইঙ্গিত ইসরায়েলের।
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।
এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার সুযোগ রেখে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়িয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে মার্কিন নৌ অবরোধও বহাল রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে ইরানের জ্বালানি স্থাপনা ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে। পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশটিকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে তারা।
সংঘাতের শুরুতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এরপর তার ছেলে মুজতবা খামেনেইকে নতুন নেতৃত্বে আনার কথাও শোনা যাচ্ছে।
এদিকে এই যুদ্ধকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে। কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সমন্বয়ের কারণে ওয়াশিংটন সরাসরি জড়িয়েছে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প।
সংঘাত শুরুর আগে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তখন কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি।
এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করার দাবি জানিয়েছে। তবে তেহরান এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তাদের দাবি, পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি যেদিকেই গড়াক, তাদের দেশ কূটনৈতিক ও সামরিক—দুই দিকেই প্রস্তুত রয়েছে।
সূত্র: আরটি

মতামত দিন