কোচিং-নোট গাইড বন্ধ করে দেব: ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীতে আয়োজিত ‘শিক্ষা বাজেট: বাজেটের শিক্ষা’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামের মূল লক্ষ্য হবে শিশুদের ওপর চাপ না দিয়ে খেলাধুলা, গল্প ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করা। এ ক্ষেত্রে সব পক্ষের মতামত নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগোনোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বাস্তব চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনো নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। কোথাও কোথাও সরঞ্জাম চুরি বা নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও থাকে, তাই এসব মৌলিক সমস্যা সমাধান না করে বড় আকারে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা কঠিন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ধাপে ধাপে কাজ চলছে এবং শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষাকে পর্যায়ক্রমে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ এবং এটিকে সম্পূর্ণ অবৈতনিক করার পরিকল্পনার কথাও আলোচনায় উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে গণসাক্ষরতা অভিযান শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানায়। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় বাজেটে শিক্ষায় জিডিপির অন্তত ২.৫ শতাংশ বা মোট বাজেটের ২০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা উচিত। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে এটি ৬ শতাংশে উন্নীত করার রূপরেখা তৈরির আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনটি বাজেট ঘাটতি পূরণে করপোরেট সোশ্যাল রেস্পনসিবিলিটির (CSR) অর্থ ব্যবহার এবং ‘এডুকেশন চেস’ চালুর প্রস্তাবও তুলে ধরে।
মতামত দিন