পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন উত্তর কোরিয়ার জননিরাপত্তামন্ত্রী পাং টু-সপ এবং রাশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্লাদিমির কোলোকলৎসেভ। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যে বলা হয়েছে, বৈঠকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দুই দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ জোরদারের বিষয়টিও গুরুত্ব পায় আলোচনায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকটি ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠিত।
রাশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্মসূচিভিত্তিক সফরে আগের দিন পিয়ংইয়ং পৌঁছান। এই সফরকে দুই দেশের সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠতার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত কয়েক বছরে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির মাধ্যমে তারা কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করে। সেই চুক্তিতে তৃতীয় পক্ষের হামলার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তার অঙ্গীকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরেও দুই দেশের সহযোগিতার নজির রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে রাশিয়ার পক্ষে সহায়তা দিতে উত্তর কোরিয়া সামরিক জনবল পাঠিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ওই সংঘাতে উত্তর কোরিয়ার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা হতাহতের শিকার হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের কৌশলগত অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চাইছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
মতামত দিন