তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত নয়, বরং সংলাপই উত্তরণের পথ হতে পারে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসলামাবাদ সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাই এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইরানের উচিত আলোচনায় অংশ নেওয়া।
ওয়াডেফুল আরও বলেন, ইরানের জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় এনে ওয়াশিংটনের প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
এর আগে সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো সামরিক পদক্ষেপে জার্মানি অংশ নেবে না। একই সঙ্গে তিনি দেশটিতে শাসন পরিবর্তনের কোনো উদ্যোগকেও সমর্থন করেন না।
তার ভাষায়, ইরানের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিবর্তন কোনো বাহ্যিক শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং দেশটির জনগণের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।
তিনি আরও জানান, জার্মানি ইরানের বিভিন্ন বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সরকারের দমননীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণের পাশে রয়েছে। তবে কোনোভাবেই জার্মানি ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করবে না।
মতামত দিন