ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি আলোচনায় অতিরিক্ত দাবি তোলা থেকে সরে না আসে, তাহলে সংলাপ এগোনো সম্ভব হবে না। ইরানের মতে, অর্থহীন ও দীর্ঘসূত্রতাপূর্ণ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কোনো আগ্রহ তাদের নেই।
এই বার্তাটি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে মার্কিন পক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় ইরান ১০ দফা প্রস্তাব তুলে ধরে, যেখানে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে প্রায় ২১ ঘণ্টা ধরে বৈঠক চললেও কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে ইরানি প্রতিনিধিরা তেহরানে ফিরে যান।
এই অচলাবস্থার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থার ঘাটতিকে বড় কারণ হিসেবে দেখছে তেহরান।
এদিকে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে নৌ অবরোধ আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হিসেবে ইরানের জন্য রাজস্ব বহনকারী জাহাজগুলোর চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সামনে এসেছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এই অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক অভিযান শুরু করলে পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও দীর্ঘ সময় ধরে হামলা চালায়, যা দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
মতামত দিন