বঙ্গোপসাগরে ৫৮ দিনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু।
বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রজনন ও সম্পদ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। ১৪ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোলা জেলার সাতটি উপজেলার কয়েক হাজার জেলে সরাসরি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার চালানো ও ঋণের চাপ সামাল দেওয়া নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, জেলায় ৬৩ হাজারের বেশি নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যাদের বড় অংশই এই সময়টাতে কাজ করতে পারবেন না। চরফ্যাশন, মনপুরা, দৌলতখানসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এর প্রভাব বেশি পড়েছে।
জেলেদের অভিযোগ, তারা নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও বিদেশি ট্রলার বিশেষ করে ভারতীয় জেলেরা জলসীমায় ঢুকে মাছ শিকার করছে। এতে স্থানীয় জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি তাদের।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, আইন প্রয়োগে প্রশাসন ও টাস্কফোর্স মাঠে থাকবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত জেলেদের জন্য সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ভিজিএফ চাল দেওয়া হবে।
নিষেধাজ্ঞার সময়টাতে অনেক জেলে ট্রলার ও জাল মেরামতের কাজ করছেন। তবে তাদের দাবি, সহায়তা দ্রুত পৌঁছানো এবং সমুদ্রে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হলে এই উদ্যোগের সুফল পাওয়া যাবে।
মতামত দিন