আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ফের ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই নতুন করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে সমুদ্রপথে নিয়ন্ত্রণ আরোপের সম্ভাবনার কথা বলেছেন।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইঙ্গিত দেন, ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করতে এবং বড় আমদানিকারক দেশগুলোর কাছে সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ইরানের প্রধান রপ্তানি খাত তেল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

এর আগে ভেনেজুয়েলার ওপর সমুদ্রপথে চাপ প্রয়োগের উদাহরণ টেনে ট্রাম্প জানান, একই ধরনের কৌশল আবারও বিবেচনায় আনা হচ্ছে।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকও কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে দুই দেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধে রাজি না হওয়ায় আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা অনুযায়ী, সমুদ্রপথে কোনো ধরনের অবরোধ বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ হলে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।

মতামত দিন