লেবানন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করল ইরান।
নিজেস্ব প্রতিবেদক:
পূর্বনির্ধারিত কূটনৈতিক আলোচনায় শেষ পর্যন্ত অংশ নিচ্ছে না ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বৈঠকটি ইসলামাবাদে হওয়ার কথা ছিল, তা আপাতত অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে মধ্যপ্রাচ্য কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্রের সিনিয়র ফেলো আব্বাস আসলানি জানান, ইরানি প্রতিনিধিদল এখনও তেহরান ছাড়েনি। লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলার মধ্যেই তারা কোনো আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়।
তার ভাষায়, যতদিন এই হামলা চলবে, ততদিন ইসলামাবাদে সংলাপ হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
এই সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিই সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে লেবাননের উত্তেজনা কূটনৈতিক উদ্যোগকে থামিয়ে দিয়েছে।
তবে শুধু সংঘাত নয়, এর পেছনে আরও একটি বড় কারণ দেখছেন বিশ্লেষকরা—যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা। জানা গেছে, ওয়াশিংটন আগে অনুমোদিত ১০ দফা শান্তি পরিকল্পনা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছে।
এ নিয়ে তেহরানে নতুন করে ‘আস্থা সংকট’ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন আব্বাস আসলানি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে পুরোনো সন্দেহ আবার সামনে এসেছে, যা আলোচনার পরিবেশকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
এদিকে দেশের ভেতরেও আলোচনার পক্ষে তেমন সমর্থন নেই। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে একাধিক হামলার শিকার হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—এই পরিস্থিতিতে কেন আবার সংলাপ?
বিশ্লেষকদের মতে, এই অভ্যন্তরীণ চাপও সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। ফলে কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠক আপাতত স্থগিত থাকছে।
এ বিষয়ে এখনো পাকিস্তান বা যুক্তরাষ্ট্র-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক অস্থিরতা ভবিষ্যৎ সমঝোতার পথকে আরও কঠিন করে তুলছে।
চাইলে এটাকে আরও ধারালো “বিশ্লেষণধর্মী” বা একেবারে ছোট নিউজ ফ্ল্যাশেও নামিয়ে দিতে পারি।
মতামত দিন