করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাদা’ সম্পর্কে যা জানা জরুরি।
করোনাভাইরাসের একটি নতুন ধরনের ভ্যারিয়েন্ট, BA.3.2, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী নজরে এসেছে। সংবাদমাধ্যম এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটিকে সিকাদা (Cicada) নামে উল্লেখ করছেন।
❓ এই ভ্যারিয়েন্টটি কী?
- এটি SARS‑CoV‑2 ভাইরাসের ওমিক্রন পরিবারের একটি উপধরন হিসেবে ধরা পড়েছে।
- বিজ্ঞানীরা এটি ২০২৪ সালের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত করেন এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে দেখা গেছে।
- প্রায় ৭০‑৭৫টি মিউটেশন এর উপস্থিতি এর জিনগত গঠনকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
কত দেশে ছড়িয়েছে?
- এখন পর্যন্ত এটি কমপক্ষে ২৩টি দেশের মানুষে শনাক্ত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যেও পাওয়া গেছে।
- যদিও এটি ব্যাপক আকারে প্রধান ধারা না হলেও এর উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন অঞ্চলে।
সিকাদা কি আগের করোনা থেকে আলাদা?
- এর লক্ষণ এখনও আগের ওমিক্রন‑ধরনের মতোই — জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা, সর্দি‑কাশি এবং ক্লান্তি সাধারণ লক্ষণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
- ভ্যারিয়েন্টটি কিছু ক্ষেত্রে আগে সংক্রমিত বা টিকাদানপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পুনরায় সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
- তবে এ পর্যন্ত এটা আরও ভয়াবহ বা মারাত্মক রোগের কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়নি।
কি টিকা কার্যকর?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছে যে বর্তমানে ব্যবহৃত কোভিড টিকা সিরিয়াস জটিলতা বা মৃত্যু রোধে সহায়ক থাকতে পারে। যদিও ভাইরাসের নতুন মিউটেশন আংশিক টিকা প্রতিরোধে সক্ষম হতে পারে, তবুও টিকা নেওয়া রোগ কম গুরুতর হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
শিশুদের ক্ষেত্রে কি বেশি ঝুঁকি?
কিছু বিশ্লেষণে দেখা গেছে সিকাদা ভ্যারিয়েন্ট শিশুদের মাঝে সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে, যদিও গুরুতর অসুস্থতার মাত্রা নির্দিষ্টভাবে বাড়ছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
মতামত দিন