দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা চালানো হলে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত তা চালু করা হবে না বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বার্তায় ইরানকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না করলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিমান হামলা চালানো হবে এবং সবচেয়ে বড় কেন্দ্র দিয়েই অভিযান শুরু হবে।
এই ঘোষণার পরপরই ইরানের সামরিক কমান্ড প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জানায়, যেকোনো হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া হবে কঠোরভাবে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইসরায়েলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
এছাড়া, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক সুবিধা দিচ্ছে, তাদের জ্বালানি ও পানি সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও হামলার আওতায় আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
চলমান সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দামও বেড়ে গেছে।
এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ সমুদ্রপথটি স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানালেও ইরান জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তারা কোনো ছাড় দেবে না।
মতামত দিন