শনিবার (২১ মার্চ) সংঘটিত হামলার বিষয়ে ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থা জানায়, শহিদ আহমাদি রোশান কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে আক্রমণ চালানো হয়েছে। তারা এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং পারমাণবিক নিরাপত্তা চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এর আগেও সাম্প্রতিক সংঘাতের শুরুতে এবং গত বছরের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের সময় একই স্থাপনাটি আক্রমণের মুখে পড়ে। তবে সর্বশেষ হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এ ঘটনায় মস্কোও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
এদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন হামলায় কিছু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান এখনো অজানা রয়েছে।
এই ইউরেনিয়াম জব্দে বিশেষ অভিযান চালানোর চিন্তাও করেছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু মজুতের অবস্থান নিশ্চিত না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
অন্যদিকে সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ নেই। ইসরায়েলের দাবি, শনিবার ভোরেও তাদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরব জানায়, পূর্বাঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে আসা প্রায় ২০টি ড্রোন তারা প্রতিহত করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর থেকেই এই সংঘাত শুরু হয়। এরপর থেকে ইরানও বিভিন্ন স্থানে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরায়েল
মতামত দিন