সৌদি সময় মেনে দিনাজপুরের দুই ইউনিয়নে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে এসব জামাতে নারী ও পুরুষ—উভয়েই অংশ নেন।
সকাল সাড়ে ৮টায় জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি–মির্জাপুর এলাকায় মেহেদী হাসান সুমনের আঙিনায় একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি পৃথক জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
আয়ড়া মাদ্রাসা মাঠে ইমামতি করেন আল আমিন, আর খয়েরবাড়ির জামাতে ইমাম ছিলেন দোলোয়ার হোসেন। দুই জামাতে মিলিয়ে দুই শতাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে মুসল্লিরা ঈদের নামাজে যোগ দিতে আসেন। সম্ভাব্য কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
খয়েরবাড়ি জামাতের ইমাম মো. দোলোয়ার হোসেন কাজী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য খুবই সামান্য। এই পার্থক্যে দিনের পরিবর্তন না হওয়ায় তারা সৌদির সময় অনুযায়ী ঈদের নামাজ আদায় করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রথা অনুসরণ করা হলেও ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে নামাজ আদায় করা হচ্ছে।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন ছিল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
মতামত দিন