আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

শব্দের চেয়ে ১৩ গুণ দ্রুতগতির ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলে হামলার দাবি ইরানের

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে এবার ‘সেজিল’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তেহরানের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে এই প্রথমবারের মতো কৌশলগত এই সলিড-ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনার জবাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথা জানানো হয়। আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণেও সেজিলকে ইরানের এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা সলিড-ফুয়েল হওয়ায় তুলনামূলক দ্রুত প্রস্তুত করে ছোড়া সম্ভব।

প্রতিবেদনগুলোতে সেজিলের পাল্লা প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ কিলোমিটার বলা হয়েছে। এ কারণে শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত এলাকা এর আওতায় পড়ে। রয়টার্সও জানিয়েছে, ইরান বহুদিন ধরেই প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা তাদের ঘোষিত সীমার মধ্যেই পড়ে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেজিল টার্মিনাল পর্যায়ে শব্দের চেয়ে ১৩ গুণের বেশি গতিতে ছুটতে পারে। তবে এ ধরনের গতি-সংক্রান্ত দাবি মূলত সামরিক ও গণমাধ্যমভিত্তিক প্রতিবেদনে এসেছে; স্বাধীনভাবে তা যাচাই করা কঠিন।

দ্য ন্যাশনাল ইন্টারেস্টের আগের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছিল, এই পাল্লার কারণে ইরান চাইলে শুধু ইসরায়েল নয়, ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের বিস্তৃত অঞ্চলের দিকেও হামলার সক্ষমতা দেখাতে পারে। অর্থাৎ সেজিলের ব্যবহার কেবল তাৎক্ষণিক হামলা নয়, কৌশলগত বার্তাও বহন করছে। 

মতামত দিন