দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুনরুদ্ধারের একটি প্রচেষ্টা হিসেবেই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে দেখছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তার ভাষায়, বহুদিন ধরে লাইনচ্যুত থাকা একটি ট্রেনকে ন্যূনতম মেরামত করে আবার চলাচলের উপযোগী করে তোলাই এবারের নির্বাচনের মূল লক্ষ্য।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। সেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলোর জোট ‘এলায়েন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (এএফইডি)’ পরিচালিত একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনকে রূপক অর্থে ব্যাখ্যা করলে বলা যায়—এটি একটি দীর্ঘদিন ধরে পথচ্যুত ট্রেনকে আবার লাইনে তোলার প্রয়াস। পুরোপুরি নতুন করে গড়া নয়, বরং ন্যূনতম সংস্কার, কিছু যন্ত্রাংশ বদল এবং কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা। এই পর্যায়ে সেটুকু করতে পারলেও তা একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকরা কমিশনের “তৃতীয় নয়ন” হিসেবে কাজ করেন। তাদের পর্যবেক্ষণ যেন নিরপেক্ষ, পেশাদার ও মানসম্মত হয়—সেটিই প্রত্যাশা। নীতিমালার সীমার ভেতরে থেকে নির্বাচন কমিশন সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বলেও জানান তিনি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ভোটগ্রহণ যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে ডেমোক্রেসি ওয়াচের চেয়ারপার্সন তালেয়া রহমান, খান ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার রোকসানা খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত দিন