আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র বিশাল বহর থেকে টিকে আছে মাত্র একটি নৌযান।

নিজেস্ব প্রতিবেদক: 

ফিলিস্তিনের গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র বিশাল বহর থেকে টিকে আছে মাত্র একটি নৌযান। সেটি এখন গাজার কাছাকাছি জলসীমায় অবস্থান করছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, এ অভিযান শেষ পর্যায়ে এবং শিগগিরই পুরোপুরি সমাপ্ত হবে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, গাজায় সামুদ্রিক অবরোধ ভাঙার চেষ্টা কোনো বড় সংঘাত ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার উস্কানিমূলক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। হামাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ গাজার যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারেনি বা অবরোধ ভাঙতেও সক্ষম হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, আটক হওয়া সবাই নিরাপদে রয়েছে। তাদের আশোদ বন্দরে নেওয়া হচ্ছে এবং পরে ইউরোপে ফেরত পাঠানো হবে। এ ছাড়া একটি নৌযান যান্ত্রিক সমস্যার কারণে গাজার উপকূল থেকে দূরে সমুদ্রে অবস্থান করছে। সেটি যদি অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করে তবে প্রতিরোধ করা হবে।

এর আগে আলজাজিরা জানিয়েছিল, ফ্লোটিলা ট্র্যাকার প্রায় সব জাহাজকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী কর্তৃক ‘নিশ্চিতভাবে বাধাপ্রাপ্ত’ বা ‘সম্ভাব্যভাবে বাধাপ্রাপ্ত’ বলে চিহ্নিত করেছে। তখনও চারটি নৌযান সক্রিয়ভাবে চলাচল করছে বলে ধরা হয়েছিল, যার মধ্যে দুটি আইনজীবীদের বহনকারী সহায়ক জাহাজ। আরও জানা যায়, প্রথমে গাজার জলসীমায় প্রবেশ করেছিল মাইকেনো ও ম্যারিনেট নামের দুটি জাহাজ।

তবে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর অল্প সময়ের মধ্যেই ফ্লোটিলা ট্র্যাকার সাইটে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর থেকে ওয়েবসাইটে কেবল মানচিত্র দেখা গেলেও জাহাজগুলোর অবস্থান আর দেখা যাচ্ছিল না।

মতামত দিন