অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের বিএম কবিরুলসহ দুই কেন্দ্রীয় নেতা ছয় দিনের রিমান্ডে।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর নিকেতন থেকে গ্রেপ্তারের পর নড়াইল-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএম কবিরুল হক  মুক্তি (৫৫) ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মোজাম্মেল হককে (৬৭) ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুস সালাম আসামিদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম ও কায়েস আহমেদ অর্নব রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তবে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশানের ডা. ফজলে রাব্বী পার্ক সংলগ্ন সেতুর ওপর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল বের করে। সেখানে তারা রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহাবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।

কবিরুল হক মুক্তি প্রথম আলোচনায় আসেন ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, যখন তিনি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে কলস প্রতীকে জয় পান। পরবর্তী সময়ে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হামিদপুর ইউনিয়নের হাসিম হত্যা মামলায় তিনি এজাহারনামীয় আসামি। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও নানা অভিযোগ রয়েছে।

মতামত দিন