ইসরায়েল যুদ্ধোত্তর প্রথম বৃহৎ সামরিক মহড়া শুরু করল ইরান।
যদিও ইরান নিয়মিত সামরিক মহড়া করে থাকে, তবে এবারের আয়োজনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইসরায়েল ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনা ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। তাই যুদ্ধোত্তর সময়ে নিজেদের সক্ষমতা ও প্রস্তুতি প্রদর্শন করতেই এ মহড়া করছে তেহরান—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহড়ায় অংশ নেওয়া যুদ্ধজাহাজগুলো সমুদ্র লক্ষ্যভেদে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ড্রোন দিয়েও বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। তবে মহড়ার আনুষ্ঠানিক ভিডিও এখনো প্রচার করা হয়নি।
মহড়ার আগে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ জানিয়েছেন, ইরান সেনাদের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো শত্রুপক্ষ যদি হামলার চেষ্টা করে, আমাদের বাহিনী এসব আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে প্রস্তুত।
বর্তমানে ইরানের নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি দক্ষিণের বান্দার আব্বাসে অবস্থিত, যেখানে প্রায় ১৮ হাজার সদস্য রয়েছে। এ বাহিনী সাধারণত গালফ অব ওমান, ভারত মহাসাগর ও কাস্পিয়ান সাগরে টহল দেয়। তবে পারস্য উপসাগর ও কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে প্রভাব বিস্তার করে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড, যারা পশ্চিমা জাহাজ আটকানো ও মার্কিন নৌবাহিনীর ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য সুপরিচিত।

মতামত দিন