যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ২৯৩টি ডিজিটাল হাজিরা মেশিন নষ্ট,খাতায় নেওয়া হচ্ছে হাজিরা।
২০১৮ সালে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপন করা হয়। এর মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক বছর ধরে মেশিনগুলো কার্যকারিতা হারিয়েছে।
যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জেসমিন আক্তার জানান, এক বছর ব্যবহারের পর মেশিনের স্ক্রীন ঘোলা হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। তাই এখন তা ব্যবহার করা হয় না।
ইন্সটিটিউট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দা শিরিন সুলতানা বলেন, দেড় বছর ব্যবহারকালে মেশিনটি আঙ্গুলের ছাপ নিতে ব্যর্থ হতে থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময় মেশিন পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। উপশহর শহিদ স্মরণী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাদ হোসেন বাবু একই অবস্থা নিশ্চিত করেছেন।
যশোর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাহাবুবুর রহমান জানান, মেশিন সংস্কার বা নতুন করে স্থাপনের জন্য কোনো বরাদ্দ আসেনি। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ডিজিটাল হাজিরা মেশিন চালু করার কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি, তবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
মতামত দিন