হামলার একটি ভিডিও ধারণ করাই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক তুহিনের।
গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভয়াবহভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান তুহিনকে। পুলিশের ধারণা, হামলার একটি ভিডিও ধারণ করাই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ঘটনার আগে বাদশা মিয়া নামের এক ব্যক্তির ওপর হামলার চেষ্টা চলছিল। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিক তুহিন ওই ঘটনার ভিডিও করেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেটি দেখতে পেয়ে হামলাকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লক্ষ্য করে তাড়া করে। তুহিন দৌড়ে ঈদগাহ মার্কেটের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু সেখানেও রক্ষা পাননি—অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা দোকানে ঢুকে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে।
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যাতে দেখা যায়, এক তরুণীকে মারধরের ঘটনায় জড়িত এক যুবককে কয়েকজন অস্ত্রধারী ধাওয়া করছে। ওই সময়েই তুহিন ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
চায়ের দোকানের এক কর্মী বলেন, ‘তুহিন ভাই দোকানে ঢুকতেই ৫-৬ জন লোক রামদা ও ছুরি নিয়ে তাকে কোপাতে শুরু করে। আমি বাধা দিতে গেলে ওরা হুমকি দেয়—তোকেও মেরে ফেলব।’
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ক্রাইম-উত্তর) মো. রবিউল হাসান জানান, ঘটনার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের ধরতে অভিযান চলছে। পুলিশের ধারণা, ভিডিও করাই তুহিন হত্যার প্রধান কারণ। গ্রেপ্তার হলে ঘটনার পেছনের কারণ পরিষ্কার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মতামত দিন