মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী খুন: নারায়ণগঞ্জ থেকে অন্যতম আসামি নান্নু গ্রেপ্তার।
এই নিয়ে আলোচিত ওই হত্যা মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ জনে।
এর আগে রোববার (১৩ জুলাই) ঢাকাসহ নেত্রকোনা থেকে সজীব ও রাজীব নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহাগ একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদরে হলেও তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকাতেই বসবাস করতেন। নিহতের ১৪ বছরের মেয়ে সোহানা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ও ১১ বছরের ছেলে সোহান চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ছে।
গত বুধবার সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে ঘিরে ধরে সন্ত্রাসীরা। প্রকাশ্য রাস্তায় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে এবং পরে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।
ঘটনার পরদিন নিহত সোহাগের বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।
মতামত দিন