আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ,কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পায়নি ইসরায়েলি পুলিশ।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের ফল নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগের সমর্থনে কোনো প্রমাণ পায়নি দেশটির পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি অভিযোগ তুললেও তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এবারের নির্বাচনে অনিয়মের ঘটনাও আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় কম।
নির্বাচনের ফলাফলে কোনো জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। প্রায় সব ভোট গণনা শেষে লিকুদ পার্টি ও তাদের নেতৃত্বাধীন জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ৫৩টিতে। অন্যদিকে গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি ও তার নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৪৮টি আসন। এই অবস্থায় সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এবারের নির্বাচনে ১২০ সদস্যের নেসেটে আরব দলগুলো ১৯টি আসন পেয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনী ইতিহাসে তাদের জন্য এটি সর্বোচ্চ আসনসংখ্যা। এই সাফল্যের পরই দলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে লিকুদ পার্টি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেওয়া এক বিবৃতিতে লিকুদ দাবি করে, আরব দলগুলো নিষিদ্ধ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করেছে এবং ভোট চুরি করেছে। দলটি আরও সন্ত্রাসবাদে সমর্থন, দুর্নীতি, হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ আনে। এসব দাবির পক্ষে প্রমাণ কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার কথাও জানায় তারা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা একাধিক হিব্রুভাষী সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তদন্ত বা গোয়েন্দা তথ্য থেকে অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ তথ্য প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইসরায়েল।
ফলে নির্বাচনে আরব দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চললেও, ভোট কারচুপির অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ না পাওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে পুলিশের বক্তব্যে।

মতামত দিন