রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন ইশরাক হোসেন।

নিজেস্ব প্রতিবেদক

মাদক নির্মূলের কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি জনসাধারণের অন্যান্য সমস্যার সমাধানেও কাজ করতে চান তিনি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ইশরাক। তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তার সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন।

ইশরাকের ভাষ্য, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা-৬ আসন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নির্মূলের পাশাপাশি মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে কাজ করার বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

দেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন ইশরাক। তিনি বলেন, স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধের পর এখন সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক নির্মূল এবং সীমান্তের নিরাপত্তার মতো বিষয়েও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

মাদকের বিস্তারকে রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে দেখছেন তিনি। ইশরাকের মতে, মাদকের কারণে তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি দেশের অস্তিত্বের জন্যও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানান তিনি।

সম্প্রতি গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় তার আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়া নিয়েও কথা বলেন ইশরাক। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন। তার দাবি, কোনো ধরনের চাঁদা আদায় নয়, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাই ছিল সেখানে যাওয়ার উদ্দেশ্য।

ইশরাকের অভিযোগ, অস্ত্র হাতে থাকার দৃশ্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ায় অভিযানের মূল উদ্দেশ্য আড়ালে চলে গেছে। তবে তার আচরণে কোনো ভুল হয়ে থাকলে কিংবা তার কারণে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

মতামত দিন