অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরির অভিযোগ, এনসিপি নেতার ৬ মাসের কারাদণ্ড।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ফরিদপুর শহরে একটি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন বিভিন্ন পণ্য তৈরির অভিযোগ পেয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে কারখানাটির মালিক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের গোয়ালচামট মোল্লা বাড়ি সড়কে শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো জানান, ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে শাহেদকে এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা দেওয়ার পর তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কারখানাটিতে উৎপাদন কার্যক্রম চলছিল। সেখানে শিশুদের ব্যবহারের জন্য বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধ এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো বলে অভিযানে তথ্য পাওয়া যায়।

কারখানাটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ জব্দ করে কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে এনসিপির ফরিদপুর জেলা শাখার সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান বলেন, অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই। দলের কোনো সদস্য অনিয়ম বা অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি যাচাই করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হবে।

দণ্ড কার্যকর হওয়ার পর শাহেদকে কারাগারে পাঠানোর মধ্য দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শেষ হয়।

মতামত দিন