যতদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আছেন, ততদিন শিক্ষা ব্যবস্থায় কমতি হবে না: শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী।
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আগামী ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ঘাটতি রাখা হবে না। শিশুদের বিদ্যালয়ে আনার পাশাপাশি তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। প্রতিটি শিশুকে যথাযথভাবে শিক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো এবং শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের কোনো শিশু যেন শিক্ষার বাইরে না থাকে, সে জন্য বিদ্যালয়মুখী করার কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের ভবিষ্যৎকে শক্ত ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের উন্নতির পাশাপাশি নিজেদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর প্রতিও শিক্ষকদের মনোযোগী হতে হবে।
এ সময় শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ও গ্রেড নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পে-স্কেল ও গ্রেডের বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের চিন্তার কারণ নেই। সরকার এ বিষয়ে কাজ করছে।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান এবং ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক আবুল আমিন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মতামত দিন