জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

আঠারোর নির্বাচনের বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে দুদকের অনুসন্ধান শুরু।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে শতভাগ ভোট পড়ার অভিযোগ ওঠা কেন্দ্রগুলো নিয়ে অনুসন্ধান জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের ভূমিকা, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সম্ভাব্য অনিয়মের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, অনুসন্ধানের আওতায় নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত জেলা প্রশাসন, মাঠ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্তও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রকৃত ভোটগ্রহণ ছাড়াই শতভাগ ভোট দেখানো হয়েছিল। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত দল প্রয়োজনীয় নথি, তথ্য ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করছে।

একই দিনে আরেক অভিযানে চাকরিচ্যুত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাটে যায় দুদকের একটি দল। উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটের বিভিন্ন মালামাল জব্দের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এর আগে পূর্বাচলের জলসিঁড়ি আবাসিক প্রকল্পে জিয়াউল আহসানের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছিল দুদক। সেই অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় নতুন এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদকের কাছে থাকা অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট কারচুপির মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছিল। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচন, যা ‘রাতের ভোট’ নামে পরিচিত, সেই নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্র নিয়ে ওঠা অভিযোগই বর্তমান অনুসন্ধানের মূল ভিত্তি।

মতামত দিন