রক্তে ভিজছে পাক-কাশ্মীর, নির্বাচনের আগে নিহত ৪০।
নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর এখন এক অশান্ত রণক্ষেত্র। আইনসভা নির্বাচনের আগে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৪০ জন।
বিরোধ মূলত ৫৩ আসনের আইনসভায় বাস্তুচ্যুত কাশ্মীরিদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন নিয়ে। জেএএসি নামের সংগঠনটি বলছে, এই আসনগুলোর কারণে স্থানীয়রা প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব পাচ্ছেন না। তাই তারা আসনগুলো বাতিলের দাবি তুলেছেন। কিন্তু সরকার দাবি না মেনে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করলে আগুনে ঘি পড়ে।
সংঘাতে নিরীহ মানুষও বলি হচ্ছেন। রাওয়ালকোটে নিজের খামারে কাজ করতে গিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী নাকাশ জারদাদ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে টানা ৪০ দিন মোবাইল ও ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে, যাকে বিরোধীরা 'গণশাস্তি' বলছেন। আতঙ্কে নির্বাচনী প্রচারণাও মুখ থুবড়ে পড়েছে, প্রার্থীরা এখন শুধু ঘরের ভেতর বৈঠক করতে পারছেন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে জেএএসির নিষেধাজ্ঞারও সমালোচনা করেছেন। পাকিস্তান সরকার ২৭ জুলাই থেকে তিন ধাপে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অটল থাকলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ থাকবে।
মতামত দিন