জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি কাটাতে ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিল বোর্ড।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

প্রতিকূল আবহাওয়া, জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তবে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের (২ নম্বর সেট-যমুনা) সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন দুটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বোর্ডের ভাষ্য, তদন্তে যদি প্রশ্নে কোনো ত্রুটি বা অসঙ্গতির সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে প্রচলিত মূল্যায়ন নীতিমালা অনুসরণ করে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজনে ওই প্রশ্নগুলোর জন্য পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে, যাতে কোনো পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।

এদিকে, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ১৩ জুলাই সকালে আকস্মিক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কয়েকটি কেন্দ্রে, বিশেষ করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সাময়িক সমস্যা দেখা দিলেও স্থানীয় প্রশাসন, কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় তারা সময়মতো পরীক্ষায় অংশ নিতে সক্ষম হয়েছে।

সমন্বয় কমিটির মতে, চলতি বছর প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বারবার পরীক্ষা পেছানো হলে ফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থার কারণে একটি বোর্ডের সমস্যার জন্য সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করাও বাস্তবসম্মত নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

মতামত দিন