আগের সরকারের ভুল নীতির প্রভাবেই বিদ্যুৎ সংকট: বিদ্যুৎপ্রতিমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে উৎপাদনে স্বনির্ভরতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে অতীতের বিভিন্ন বিদ্যুৎ চুক্তিও নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে চলমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো। এ উদ্দেশ্যে সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অন্তত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলছে।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর বিদ্যুৎ সরবরাহে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও সরকারের নীতি শহর ও গ্রামের মধ্যে সেবার বৈষম্য কমিয়ে আনা। বাস্তবতার কারণে সব ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে সমতা আনা সম্ভব না হলেও এ ব্যবধান কমাতে কাজ চলছে।
বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সংকটের প্রসঙ্গ তুলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আগের সরকারের ভুল পরিকল্পনা ও নীতিগত সিদ্ধান্তের প্রভাব এখনও এই খাতে রয়ে গেছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই সরকার দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যেসব চুক্তিতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ খাত পরিচালনার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
মতামত দিন