আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

ভারত ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু: নেতানিয়াহু।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল নয়, ভারতও দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে—এমন আলোচনাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি বিশেষভাবে ভারতের কথা উল্লেখ করে বলেন, ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই ইসরায়েলের প্রতি দৃঢ় সমর্থন দিয়ে আসছে।

সম্প্রতি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে ওয়াশিংটন-তেল আবিব সম্পর্কে টানাপোড়েনের যে আলোচনা চলছে, সেই প্রেক্ষাপটেই তার এই মন্তব্য আসে।

সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে। তার ভাষায়, হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের মতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইসরায়েল খুব কমই পেয়েছে।

তবে তিনি স্বীকার করেন, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সব নীতিগত বিষয়ে তার মতের মিল নেই। তবুও ব্যক্তিগত সম্পর্ককে তিনি ইতিবাচক বলেই বর্ণনা করেন।

অন্যদিকে জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি বলেছেন, ইরানকে ঘিরে হওয়া শান্তি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। তিনি আরও সতর্ক করেন, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারে।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতির যৌক্তিকতা তুলে ধরে নেতানিয়াহু দাবি করেন, সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি খ্রিষ্টান অধ্যুষিত এলাকা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের সহায়তা চেয়েছে। তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মরক্ষার সক্ষমতা অপরিহার্য। যে শক্তি একটি রাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে চায়, তার বিরুদ্ধে প্রস্তুত থাকাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মতামত দিন