পাঁচ লাখ সেনাকে 'ড্রোন যোদ্ধা' বানাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।
যুদ্ধের চেহারা বদলে যাচ্ছে। ইউক্রেনের মাঠে কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে — ড্রোন যে যুদ্ধের গতিপথ বদলে দিতে পারে, সেটা এখন প্রমাণিত।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন গিউ-বাকের ভাষায়, ড্রোন এখন থেকে প্রতিটি সেনার দ্বিতীয় ব্যক্তিগত অস্ত্র। বিশেষ ইউনিটের গণ্ডি পেরিয়ে এটি পৌঁছে যাবে সাধারণ সেনার হাতেও। চলতি বছরেই ১১ হাজার ড্রোন সেনাবাহিনীতে যুক্ত হবে, আর ২০২৯ সালের মধ্যে মোট সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৬০ হাজারে।
বিশেষভাবে লক্ষণীয়, পুরো কার্যক্রমে শতভাগ দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চীনা যন্ত্রাংশ রাখা হবে না — নিরাপত্তার প্রশ্নে এখানে কোনো আপোষ নেই।
পরিকল্পনায় আরও আছে এআইচালিত ড্রোন-সোয়ার্ম, লেজার ও মাইক্রোওয়েভভিত্তিক ড্রোন-বিধ্বংসী অস্ত্র এবং একবার ব্যবহারযোগ্য ২০ হাজারের বেশি সাশ্রয়ী ড্রোন। লক্ষ্য একটাই — প্রতিটি বাহিনী যেন ঊর্ধ্বতনের নির্দেশের অপেক্ষা না করে নিজেই নজরদারি ও হামলা চালাতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
মতামত দিন