লোকসান সামলাতে ১১টি ট্রেন ইজারা দেওয়ার পথে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে।
বছরের পর বছর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও পূরণ করতে পারছে না পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে। এই লোকসান কমাতে এবার ১১টি মেইল ও লোকাল ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংখ্যাগুলো বলছে পরিস্থিতি কতটা নাজুক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৭৭ কোটি টাকা, আয় হয়েছে মাত্র ৬৪৯ কোটি। পরের বছর লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ১৬০ কোটি, এসেছে ৬২১ কোটি। চলতি বছরের ১০ মাসেও একই চিত্র — ৮২৫ কোটির লক্ষ্যের বিপরীতে আয় ৫৬৬ কোটি।
সমস্যার মূলে রয়েছে টিকিট ফাঁকি। অনেক যাত্রী স্থানীয় রুটে টিকিট না কিনে সরাসরি ট্রেনের কর্মীদের হাতে টাকা দিচ্ছেন। পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে সব ট্রেনে সঠিকভাবে টিকিট পরীক্ষা করাও সম্ভব হচ্ছে না। রেল কর্মকর্তারা বলছেন, এই অবস্থায় ইজারা দেওয়াই বেশি লাভজনক।
ইতোমধ্যে ২৪টি ট্রেন বেসরকারি অপারেটরদের কাছে ইজারা দিয়ে মাসে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে উদ্বেগও আছে। বেসরকারি অপারেটরদের হাতে ট্রেন গেলে ভাড়া বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, যা সাধারণ যাত্রীদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।
মতামত দিন