হরমুজে ড্রোন হামলা, তেলের দাম বাড়ল ৪ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর সবে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিল বিশ্ব জ্বালানি বাজার। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টিকল না।
ওমান উপকূল থেকে সাড়ে সাত নটিক্যাল মাইল দূরে হামলায় জাহাজটির নেভিগেশন ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কোনো নাবিক আহত হননি। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্সসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হামলাটি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ড্রোন থেকে চালানো হয়েছে।
হামলার প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও। জাপানের নিক্কেই সূচক ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি ৮ শতাংশ, হংকংয়ের হ্যাংসেং ১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং তাইওয়ানের তাইএক্স ৩ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝা যাচ্ছে আরও একটি তথ্যে — জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা প্রায় ৬০০ বাণিজ্যিক জাহাজের উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন সংস্থার মহাসচিব।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই পথে যেকোনো অস্থিরতা তাই তাৎক্ষণিকভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ছাপ ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে হরমুজে ইরানের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টাকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছেন।
সূত্র: আল জাজিরা

মতামত দিন