জলাতঙ্ক ঠেকাতে ২০ লাখ ডোজ টিকা আনছে সরকার।
সংখ্যাটা উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালে শুধু মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেই কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে অনুমোদনের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান জানিয়েছেন, চলতি মাসেই অনুমোদন মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি কতটা গুরুতর, সেটা পরিসংখ্যানই বলছে। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন ৯৪ হাজার মানুষ, ২০২৪ সালে সেটা বেড়ে ১ লাখ ২২ হাজার এবং ২০২৫ সালে ১ লাখ ৪৬ হাজার ছাড়িয়ে যায়। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে — ২০২৩ সালে ৪২, ২০২৪ সালে ৫৮, ২০২৫ সালে ৫৯ জন। চলতি বছরের মাত্র আড়াই মাসেই মারা গেছেন ১৯ জন।
গত মে মাসে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র সাত দিনে পাঁচজনের মৃত্যু দেশজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। চিকিৎসকরা বলছেন, একবার লক্ষণ প্রকাশ পেলে বাঁচার সুযোগ প্রায় থাকে না। তাই কামড়ের পরপরই ১৫ মিনিট সাবান-পানি দিয়ে ক্ষত ধুয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টিকা নেওয়াটাই একমাত্র পথ।
পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ৩৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও অনুমোদন করেছে। আগামী জুলাই থেকে ঢাকার পোষা কুকুর-বিড়ালকে টিকা দেওয়া এবং বেওয়ারিশ কুকুরের বন্ধ্যাকরণ শুরু হওয়ার কথা। তবে এখনও প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না হওয়ায় কাজ আটকে আছে।
সূত্র: বাসস

মতামত দিন