যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অগ্রগতি, কমল তেলের দাম।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা একটু প্রশমিত হতেই সাড়া দিল তেলের বাজার। সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির খবরে আজ সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১৯ ডলার কমে ৭৯ দশমিক ৩৮ ডলারে নেমে এসেছে।
পরিবর্তনের পেছনে মূল কারণ হলো ইরানের তেল রপ্তানিতে কিছুটা নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সম্ভাবনা। ইরান জানিয়েছে, তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানিতে ছাড় পাওয়ার পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা কিছু সম্পদও ছাড় করা হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নিষেধাজ্ঞা আরও শিথিল হলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল বাজারে ফিরতে পারে। এই সম্ভাবনাতেই গত সপ্তাহে তেলের দাম ইতোমধ্যে ৮ শতাংশের বেশি কমেছে।
তবে বাজার পুরোপুরি নিশ্চিন্ত নয়। ইরান আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছে, লেবাননেও নতুন সংঘর্ষের খবর এসেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হওয়ার ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ইরাক জানিয়েছে, তারা দৈনিক উৎপাদন ধীরে ধীরে ৪২ থেকে ৪৩ লাখ ব্যারেলে নিয়ে যাবে। সব মিলিয়ে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনায় তেলের দাম আপাতত নিচের দিকেই থাকার ইঙ্গিত মিলছে।
সূত্র: রয়টার্স

মতামত দিন