আন্তর্জাতিক
ছবি: সংগৃহীত

৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, চুক্তির শর্ত নিয়ে আশাবাদী প্রেসিডেন্ট।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক সমঝোতাকে ইরানের জন্য কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার দাবি, আলোচনার ফলেই কাতারে আটকে থাকা ইরানের ৬০০ কোটি ডলারের সম্পদ ফেরত পাওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, সমঝোতা স্মারকের প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং এতে ইরানের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষিত হয়েছে। খুব শিগগিরই এই চুক্তির বাস্তব সুফল দৃশ্যমান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পেজেশকিয়ানের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। একসময় যেসব বিষয়ে কঠোর আপত্তি জানানো হয়েছিল, এখন সেগুলোর কিছু অংশ ইরানের বৈধ অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

কাতারে জব্দ হয়ে থাকা অর্থের বিষয়ে তিনি বলেন, বহুদিন ধরে আটকে থাকা ৬ বিলিয়ন ডলার দ্রুতই ইরানের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনা প্রসঙ্গে ইরানি প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি অস্বস্তিতে পড়তে পারে ইসরায়েল।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পেজেশকিয়ান বলেন, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের মূল শর্ত ছিল ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে না হাঁটে। ইরান বরাবরই এমন অস্ত্র তৈরির বিরোধী অবস্থানে রয়েছে এবং সে কারণেই বিষয়টি লিখিতভাবে নিশ্চিত করতে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব বহু বছর ধরেই পারমাণবিক বোমার বিরোধিতা করে আসছে। সাম্প্রতিক সমঝোতায় সেই অবস্থানই পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা।

মতামত দিন