শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই বাড়ল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এখনও স্পষ্টতা না আসায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এ পরিস্থিতির প্রভাবে বুধবার স্বর্ণ ও রুপার দামে সামান্য ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশ সময় রাত ৯টার পর আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩৪৪ ডলারের বেশি দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৬৪ ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হয়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার বিষয়ে এখনও নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে। ফলে বড় ধরনের বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা। এই অনিশ্চয়তার কারণেই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কিছুটা বেড়েছে।
গত সপ্তাহে মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার নিয়ে উদ্বেগের কারণে স্বর্ণের দাম কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে গিয়েছিল। তবে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হওয়ায় বাজারে আবারও কিছুটা গতি ফিরেছে।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান মূল্যস্তর দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী নাও হতে পারে। তাদের ধারণা, আগামী বছরগুলোর শুরুতে স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিতে পারে। একই সময়ে রুপার দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। রুপার দাম সামান্য বেড়েছে, তবে প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের মূল্য কিছুটা কমেছে।
দেশীয় বাজারে বর্তমানে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার বেশি। এছাড়া ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
মতামত দিন