রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত

সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকেই শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

আগামী সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—সব মিলিয়ে আগামী এক বছরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ পরিকল্পনার কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি ও ধাপ নির্ধারণে বাজেট প্রাপ্যতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই কার্যক্রম শুরু হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনও একই পরিকল্পনার আওতায় সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে।

সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার খাতের আরও কয়েকটি উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় সংসদ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে পরিদর্শন কক্ষ নির্মাণের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এ কাজে প্রতিটি উপজেলার জন্য ৬ লাখ টাকা করে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

রাজধানীর পানি সরবরাহ নিয়েও তথ্য দেন মন্ত্রী। তার ভাষ্য, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতিদিন ৩২০ থেকে ৩২৫ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে, আর ঢাকা ওয়াসা উৎপাদন করছে প্রায় ২৯৫ থেকে ৩০০ কোটি লিটার। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে পানি পরিশোধন ও নিয়মিত নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও সহজ করতে ‘ভার্সন-২’ সফটওয়্যার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে অনলাইন পেমেন্ট সুবিধাও থাকবে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটিতে ছোট আকারের কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা এবং তরুণদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচির বিষয়েও সংসদে তথ্য তুলে ধরা হয়।

মতামত দিন