প্রশাসনের আচরণ একপাক্ষিক হলে নির্বাচনের কোনো প্রয়োজন নেই: হাসনাত আব্দুল্লাহ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, প্রশাসন যদি কোনো একটি পক্ষের হয়ে কাজ করে, তাহলে নির্বাচন আয়োজনের যৌক্তিকতাই থাকে না।
সোমবার সকালে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে আজাদির যাত্রা কর্মসূচির সূচনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার কথা যদি বিএনপি সত্যিই বিশ্বাস করে, তাহলে প্রশাসনের প্রকাশ্য পক্ষপাতের বিরুদ্ধে তাদেরও অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একটি অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তার ভাষায়, শেখ হাসিনার শাসনামলের মতো আবারও সরকারি কর্মকর্তারা অফিস ছেড়ে রাজনৈতিক নেতাদের স্বাগত জানাতে ছুটছেন। এমন আচরণকে তিনি ‘গোলামির মানসিকতা’ বলে আখ্যা দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের এতদিন পরও প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ। তিনি জানান, হাদির আদর্শকে সামনে রেখে আজ থেকে আজাদির লড়াই নতুনভাবে শুরু হলো। এগারো দলীয় জোট এখন থেকে ‘আজাদির জোট’ হিসেবে মাঠে কাজ করবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
একই বক্তব্যে তিনি শাহবাগ ও রমনা এলাকাকে ‘আজাদির এলাকা’ ঘোষণা করে বলেন, এসব এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কোনো স্থান থাকবে না। আজাদির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
প্রচারণা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, এই আন্দোলনে কেবল আজাদির বার্তাই তুলে ধরা হবে। অন্য কোনো প্রতীক বা ইস্যু সামনে আনার পরিকল্পনা নেই।

মতামত দিন