রাজনীতি
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে কাল দেশে ফিরছেন তারেক রহমান।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

দীর্ঘ প্রবাসী সময় কাটিয়ে অবশেষে দেশে ফিরছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরিবারিক ও রাজনৈতিক বাধা, দীর্ঘ নিপীড়ণ এবং বিদেশে চিকিৎসার সব চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে তার এই প্রত্যাবর্তন দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

২০০৮ সালে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান তিনি। রিমান্ডে থাকাকালীন কষ্টকর শারীরিক অবস্থার কারণে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা হয় ১১ সেপ্টেম্বর। বাবা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের ছোট ঘটনাবলী, পরিবারিক বন্দিত্ব এবং দেশীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তাকে প্রভাবিত করেছে।

তারেক রহমানের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু ১৯৮৮ সালে, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে প্রচারণায় যুক্ত হন। ২০০১ সালে দলের নীতি ও তৃণমূল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ২০০২ থেকে দলের নেতৃত্বে ধীরে ধীরে এগোতে থাকেন এবং ২০০৫ সালে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

২০০৭ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে রিমান্ড শেষে মুক্তি পেলেও দেশে ফিরে আসা হয়নি। হাসপাতাল থেকে লন্ডনে যান ১১ সেপ্টেম্বর। ২০০৯ সালে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং প্রবাসে থেকেও দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী রাখার কাজ চালিয়ে যান।

নেতাকর্মীদের মতে, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান থেকে শেষ পর্যন্ত তারেক রহমান নেপথ্যের কুশীলব ছিলেন। দলের সংগঠন ও নেতাদের প্রেরণা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নিরলস কাজ করেছেন। বর্তমান প্রত্যাবর্তনকে অনুসারীরা নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন।

মতামত দিন