নির্বাচন বানচাল করতেই ‘টার্গেট কিলিং’ চালানো হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাকে ভেঙে দিতেই দেশে পরিকল্পিত ‘টার্গেট কিলিং’ চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রোববার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুর বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর ওপর হত্যাচেষ্টা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “ওসমান হাদীকে হত্যার চেষ্টা যারা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন নস্যাৎ করতেই টার্গেট কিলিংয়ের মতো ভয়ংকর কৌশল নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এই টার্গেট কিলিংয়ের সঙ্গে জড়িত প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে যারা রয়েছে—সবাইকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হলে জনগণের আস্থা ভেঙে পড়বে।”
হাদিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে পারস্পরিক দোষারোপের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, এই মুহূর্তে বিভাজনের রাজনীতি সবচেয়ে বিপজ্জনক। “একে অপরকে দায়ী করার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে ফ্যাসিস্ট শক্তিই সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে,” বলেন তিনি।
তিনি তথাকথিত সুশীল সমাজের একাংশের ভূমিকাও সমালোচনা করে বলেন, “যেসব সুশীল বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের পক্ষে সম্মতি উৎপাদন করে যাচ্ছেন, জনগণের পক্ষে থাকা বুদ্ধিজীবীদের উচিত তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া।”
নাহিদ ইসলাম বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগের শিক্ষা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন থাকা। সেই চেতনাকে ধারণ করেই গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।
মতামত দিন