ধানের শীষকে বিজয়ী করতেই হবে: তারেক রহমান।
বিএনপির এই ভার্চুয়াল কর্মশালায় অংশ নিয়েছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদল ও কৃষক দলের দায়িত্বশীল নেতারা। সাত দিনের এই কর্মশালার লক্ষ্য—আগামী নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় নীতি, পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকারগুলো নেতৃত্ব পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া।
তারেক রহমান বলেন, উন্নয়নশীল, মানবিক ও আধুনিক রাষ্ট্র গড়তে বিএনপি জনগণের সমর্থন চাইছে। তার অভিযোগ, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল—গুম, খুন এবং নিপীড়ন ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।
তিনি ঘোষণা দেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি মেগা প্রকল্পের নামে অপচয় করবে না; বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নকেই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করবে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে সক্ষম করে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কারকেও তিনি অগ্রাধিকার দেন।
পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগের কথাও আসে তার বক্তব্যে। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের জন্য দেশজুড়ে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনাও তুলে ধরেন তিনি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশে প্রকৃত মানবাধিকার ফিরে আসার একমাত্র পথ হলো একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ধানের শীষকে জেতানো। এ জন্য নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তারেক রহমান।

মতামত দিন