দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা একমাত্র বিএনপির পক্ষেই সম্ভব: তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন মানুষকে অন্য দলগুলোর উদাহরণ টেনে বিএনপিকে ‘দেখার সুযোগ’ দিতে বলছে—বাংলাদেশ তাদের মুখোশ আগেই দেখেছে। ১৯৭১ সালে তারা কীভাবে হত্যা–নির্যাতন চালিয়েছে, নারীদের ওপর বর্বরতা করেছে—জাতি সেটি ভুলে যায়নি।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বেহেশত–দোজখ নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার অধিকার কারও নেই। এসব কথা যে বলছে, তারা শিরক করছে। আখিরাতে কার পরিণতি কী হবে—সেটা সম্পূর্ণ আল্লাহর হাতে।
তারেক রহমান আরও বলেন, দুর্নীতি আর আইনশৃঙ্খলার জটিলতা নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি—কোনো খাতেই পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পাবে না। দুর্নীতি দমনে প্রকৃত সক্ষমতা শুধু বিএনপিরই রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপির বিরুদ্ধে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, আজ যারা দলকে আক্রমণ করছে—স্বৈরাচারের আমলে তারাই বিএনপি সরকারে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার মধ্য দিয়ে তারা প্রমাণ করেছেন—বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান ছিল স্পষ্ট। বিএনপির বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই আদালতে প্রমাণিত হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
জাতীয় সরকার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার পতনের দিন মহাসচিব মির্জা ফখরুল জানতে চেয়েছিলেন জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়টি। তখন আমরা বলেছিলাম—আমরা জনগণের কাছে ফিরবো, তাদের রায়ই হবে চূড়ান্ত। বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণই ক্ষমতার উৎস।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, দলটি আগামী দুই মাসের মধ্যে একটি নির্বাচনের আশা করছে।

মতামত দিন