জঙ্গলীয় পদ্ধতিতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “শাপলা প্রতীক না দেওয়ার বিষয়ে কমিশনকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন কোনো দল বা পরিবারের হাতিয়ার নয়, এটি সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান। আমরা চাই না, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা পরিবার কমিশনের উপর প্রভাব বিস্তার করুক।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশনকে ক্যান্টনমেন্টে পরিণত করা যাবে না। শাপলা রাষ্ট্রীয় প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত, কিন্তু এর ব্যবহার নিয়ে কমিশন রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমরা ইসির সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং বিশ্বাস করি শাপলা প্রতীক দলটি পাবে।”
বৈঠকের পর এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহও বলেন, “নির্বাচন কমিশনের রিমোট কন্ট্রোল আগারগাঁওয়ে নেই। তাদের কার্যক্রমে একটি স্বৈরাচারী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কমিশনের শিডিউলে থাকা মার্কাগুলো কোন নীতিমালার ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সেটি স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে শাপলা কেন অন্তর্ভুক্ত হবে না, তার কোনো ব্যাখ্যা নেই।”
তিনি যোগ করেন, “মধ্যযুগীয় রাজাবাদশার মতো কমিশনের আচরণ আমাদের উদ্বিগ্ন করছে। আমাদের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে নির্বাচনী প্রতীকের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা যেত। কিন্তু আমরা দেখছি কমিশন স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।”
মতামত দিন