জাকসু নির্বাচনে ফজিলাতুন্নেসা হলে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে এবার ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৭৮ জন প্রার্থী। বামপন্থি, ছাত্রদল, শিবির ও স্বতন্ত্রসহ আটটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এবার মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯১৯ জন। ছাত্রদের হলে ভোটার আছেন— আল বেরুনী হলে ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর হলে ৭৩৫ জন, নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন।
ছাত্রীদের হলে ভোট দেবেন— নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হলে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হলে ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হলে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেসা হলে ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন।
ফজিলাতুন্নেসা হলে দুপুরে কিছুক্ষণ ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। ভোট কারচুপির অভিযোগ ওঠার পর শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী ও ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী কেন্দ্রে প্রবেশ করলে নারী শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অন্য প্রার্থীরাও এ ঘটনায় শঙ্কা প্রকাশ করেন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পর আবার ভোট শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, ‘শঙ্কা সব জায়গায় আছে। তবে বর্তমানে ফজিলাতুন্নেসা হলে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিকভাবে চলছে।’
ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এদিন ক্যাম্পাসে মোতায়েন রয়েছে এক হাজার ৫০০ পুলিশ সদস্য, সাত প্লাটুন বিজিবি এবং পাঁচ প্লাটুন আনসার। পাশাপাশি যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান করছেন।
মতামত দিন